
কয়েক সপ্তাহের উত্তেজনা আর হুমকির পর অবশেষে আমেরিকা ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন,ইরানে আমেরিকার বড় ধরনের যুদ্ধের অভিযান শুরু হয়েছে।
এর আগে, একই দিনে ইরানের রাজধানী তেহরান ও অন্যান্য কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল।এদিকে, আমেরিকা-ইসরায়েলের হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন স্থাপনা ও সামরিক বাহিনী লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তেহরান। কাতার, কুয়েত, বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর দিয়েছে আল-জাজিরা। ইরানে ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী পতনই এবারের সামরিক অভিযানের লক্ষ্য বলে জানিয়েছে আমেরিকা। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্তা বলেছেন, এই অঞ্চলে আমেরিকা এবং ইসরায়েলের সব স্বার্থ এখন ইরানের হামলার বৈধ লক্ষ্যে পরিণত হবে।ইরানে আমেরিকা-ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত হাফ ডজন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েতের আল-সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র।
আমিরশাহির আবু ধাবিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত হয়েছেন বলে আল জাজিরা জানিয়েছে।পাশাপাশি বাহরাইনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরে ও জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।








