
রানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অতীতে বহু সংকট পেরিয়ে এলেও ইসরায়েলের নজিরবিহীন হামলা এবার তার নেতৃত্বাধীন ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা ও ব্যক্তিগতভাবে তার শারীরিক নিরাপত্তাকেই সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্বে থাকা খামেনি দীর্ঘ সময় ধরে নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক টানাপড়েন ও সহিংসভাবে দমন করা অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ মোকাবিলা করে এসেছেন।
শেষ ২০২২-২৩ সালে নারী নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থানের সময়ও তিনি ক্ষমতায় অবিচল ছিলেন।৮৬ বছর বয়সী এই নেতার উত্তরসূরি নিয়ে ইরানে আগে থেকেই জল্পনা চলছিল।কিন্তু বর্তমান সংকটে তার নেওয়া পদক্ষেপই ঠিক করে দেবে ১৯৭৯ সালে শাহকে হটিয়ে চালু হওয়া ইসলামী বিপ্লব পরবর্তী ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ।একই সঙ্গে খামেনির শারীরিক নিরাপত্তাও এখন হুমকির মুখে।
আমেরিকার এক সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েল তাকে হত্যা করতে চাইলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে ইসরায়েল এখনো এমন পদক্ষেপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না।








