
ইউক্রেন সংঘাত নিরসনে ব্যর্থতার পর বিশ্বের দুই শীর্ষ পারমাণবিক শক্তিধর দেশ রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে নতুন করে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। আসছে পাল্টাপাল্টি পারমাণবিক পরীক্ষার ঘোষণা।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার সাম্প্রতিক উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় পারমাণবিক শক্তি প্রদর্শনের নতুন অধ্যায়কে সামনে এনেছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন দেশটির প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ নিরাপত্তা পরিষেবাগুলোকে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রস্তুতি কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।এদিকে গত সপ্তাহেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেন, তিনি রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সমান তালে পাল্লা দিয়ে মার্কিন পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পেন্টাগনকে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এই পরীক্ষাগুলো সরাসরি পারমাণবিক ওয়ারহেড সম্বলিত কি না তা নিয়ে এখনো অস্পষ্টতা রয়েছে। জানা গেছে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসভ আর্কটিক দ্বীপপুঞ্জের নোভায়া জেমলিয়ায় অবিলম্বে পরমাণু পরীক্ষা শুরুর প্রস্তাব দিয়েছেন।
উল্লেখ্য ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে রাশিয়া আর কোনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়নি। তবে প্রেসিডেন্ট পুতিন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি কোনো পরমাণু পরীক্ষা চালায়, তবে মস্কোও ঠিক একই পথে হাঁটবে। এর আগে অক্টোবরে পুতিন পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রের দুটি পরীক্ষা তদারকি করেছিলেন, যদিও সেগুলোতে কোনো পারমাণবিক ওয়ারহেড ব্যবহৃত হয়নি।
