
বাংলাদেশে ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর গ্রেফতারির সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন প্রবাসী ভারতীয় এবং বুদ্ধিজীবীরা।
একই সঙ্গে হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও পৃথকভাবে চিঠি দিয়েছে ফাউন্ডেশন ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ডায়াসপোরা নামের একটি সংস্থা।আমেরিকা ভিত্তিক এই সংস্থার সদস্যদের সবাই প্রবাসী ভারতীয় বা ভারতীয় বংশোদ্ভূত। ফিডসের প্রেসিডেন্ট খান্দেরাও কান্ড ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেনকে চিঠি দিয়েছেন।চিঠিতে খান্দেরাও কান্ড জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে কিনা তা নির্ভর করছে দেশটির সবচেয়ে দুর্বল জনগোষ্ঠী-সহ সব নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকছে কিনা। তাঁরা বিশ্বাস করেন যে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন সবসময়ই মানবাধিকার ইস্যুতে আপোসহীন এবং এই মুহূর্তে বাংলাদেশে যারা নিপীড়ন এবং বাস্তুচ্যুতির শিকার, তাদের রক্ষায় তৎপর হবেন।প্রবাসী ভারতীয়রা প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পাশাপাশি আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, ক্ষমতা গ্রহণের পর তারা যেন বাংলাদেশ শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং সংখ্যালঘুদের রক্ষা করাকে অগ্রাধিকার দেন।পাশাপাশি মার্কিন অভিনেত্রী-গায়িকা মেরি মিলবেন এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে চরমপন্থীরা সংখ্যালঘুদের ওপর যে লাগাতার আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে এবার বিশ্ব নেতাদের আলোচনায় বসা উচিত।এদিকে, চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর গ্রেফতারির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে ইউরোপজুড়ে।
এরমধ্যেই ব্রিটেনের পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স-এর বহুদলীয় গোষ্ঠী অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ ফর দ্য কমনওয়েলথ-এর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মুহাম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার বদলা নিতে বিচার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করেছে। ইতিমধ্যে যা পাঠানো হয়েছে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামির কাছে।








