৭২ ঘণ্টায় ৬ দেশে ইসরায়েলের হামলা

0
72
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

৭২ ঘণ্টায় ছ’টি দেশের ভেতরে সামরিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।সোমবার ৮ সেপ্টেম্বর থেকে বুধবার ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্যালেস্টাইন,লেবানন, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, কাতার ও ইয়েমেনের ভেতরে এসব হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২০০ মানুষ। প্রথমে,কাতারের রাজধানী দোহায় এক আলোচনার সময় হামাসের একটি অফিস লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই সময় গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছিল।এই হামলায় নিহত হন অন্তত ৬ জন, যাদের মধ্যে ছিলেন হামাসের শীর্ষ নেতা খলিল আল-হাইয়ার ছেলে হুমাম আল-হাইয়া, তার তিন দেহরক্ষী এবং এক কাতারি নিরাপত্তা কর্তা। হামাসের শীর্ষ নেতৃত্ব এ ঘটনায় অক্ষত রয়েছেন বলে জানা গেছে।দোহায় হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে মাত্র ৭২ ঘণ্টায় ষষ্ঠ দেশে অভিযান চালায় ইসরায়েল। আর ২০২৫ সালের শুরু থেকে সপ্তম দেশ হিসেবে আক্রমণের শিকার হয়েছে কাতার। সোমবার ছিল গাজা আগ্রাসনের ৭০২তম দিন।ওইদিন গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৬৭ জন নিহত এবং ৩২০ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন ছিলেন ত্রাণ সংগ্রহে আসা অসামরিক মানুষ। পরদিন আরও ৮৩ জন নিহত এবং ২২৩ জন আহত হন।সোমবার দুপুরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান লেবাননের বেকা ও হারমেল জেলায় হামলা চালায়।এতে পাঁচজন নিহত হন। ইসরায়েল দাবি করে, হিজবুল্লাহর অস্ত্র গুদাম ও সামরিক স্থাপনায় এই হামলা চালানো হয়েছে। উল্লেখ্য ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি হলেও ইসরায়েল নিয়মিত লেবাননের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে,রাতভর ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হোমস ও লাতাকিয়ায় একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

এদিকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বাশার আল-আসাদ সরকার পতনের পর থেকেই সিরিয়ায় হামলার পরিমাণ বেড়েছে। সীমান্তবর্তী কিছু এলাকা ইতিমধ্যেই ইসরায়েল দখল করে নিয়েছে বলে সিরিয়ার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।