সন্ধ্যার পর খেতে মানা 

0
146
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

এখন বহু মানুষ পেটকে ভুঁড়িহীন ও নির্মেদ রাখার জন্য চেষ্টা করছেন। এটি অর্জনের জন্য বিভিন্ন রকমের লড়াইও করছেন।

কিন্তু বিভিন্ন ডায়েট অনুসরণ এবং ব্যায়াম করার পরেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পান না। এর জন্য দায়ী হতে পারে রাতের খাবার।এই অবস্থায় কিছু খাবার আছে, যেগুলো দিনের বেলা খাওয়ার জন্য বেশি উপযুক্ত এবং রাতে সেগুলো এড়িয়ে চললে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবেন। এখন প্রশ্ন হলো কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন।পুষ্টিবিদদের মতে,সন্ধ্যা ৬টার পর কিছু নির্দিষ্ট খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। তাহলে তলপেটের অতিরিক্ত চর্বি সাফ হবে নিমেষে।সন্ধ্যা ৬টার পর কেক, কুকিজ ও চকোলেটের মতো চিনিযুক্ত খাবার একেবারেই নিষিদ্ধ। ক্যালরি বেশি হওয়ায় এগুলো পেটে চর্বি জমাতে পারে, যার ফলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এই পরিবর্তনটি করা প্রথমে কিছুটা কঠিন হতে পারে, কিন্তু একবার করলে আর ফিরে যাওয়ার উপায় নেই। পাশাপাশি,পুষ্টিবিদরা রাতে ভারী প্রোটিন এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেন।প্রোটিন স্বাস্থ্যকর হলেও লাল মাংসের মতো ভারী খাবার হজম করা কঠিন হতে পারে। এটি ঘুমানোর সময় পেটের সমস্যা তৈরি করে। তাই মুরগির বুকের মাংস বা ডিমের মতো হালকা প্রোটিন খান। অন্যদিকে সবাই জানেন যে কার্বনেটেড পানীয় স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। সমতল পেট অর্জনের চেষ্টা করার সময় এগুলো সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলা অপরিহার্য।বিশেষ করে সন্ধ্যা ৬টার পরে। এর ফলে গ্যাস, পেট ফাঁপা ও চর্বি বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। আবার সন্ধ্যা ৬টার পর দুগ্ধজাত দ্রব্য পরিহার করার পরামর্শও দেন পুষ্টিবিদরা। দুগ্ধজাত দ্রব্য পেটের জন্য বেশ ভারী এবং এর ফলে পেট ফাঁপা ও হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই দুধ,পনির, দই ও ক্রিম রাতের বেলায় না খেয়ে দিনের বেলায় খেতে পারেন। সেই সঙ্গে রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলার আরেকটি জিনিস। যদি সাদা ভাতপ্রেমী, পাস্তাপ্রেমী, অথবা রুটিপ্রেমী হোন, তাহলে রাতের খাবারে এগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বন্ধ করুন। এগুলো খাওয়ার ফলে ইনসুলিনের স্পাইক ও পেটের চর্বি জমে যেতে পারে। এর বাইরে,ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পাকোড়া,কচুরি ও সমুচার মতো ডিপ ফ্রায়েড খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এই খাবারগুলোতে ক্যালরি বেশি থাকে এবং বিপাক প্রক্রিয়া ধীর করে দিতে পারে, যার ফলে অতিরিক্ত চর্বি জমা হতে পারে।

তাই সন্ধ্যা ৬টার পর যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত, সেগুলো খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। একবার এটি করা শুরু করলে স্বাস্থ্যের পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।