বাঙ্কার থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী আইভরি কোস্টের ‘লৌহমানবী’

0
83
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 
আইভরি কোস্টে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি সিমিওনি বাগবো। লৌহমানবী নামে খ্যাত ৭৬ বছর বয়সী সিমিওনি বাগবো তাঁর প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে একবার পালিয়ে বাচ্চা আশ্রয় নিয়েছিলেন। খেটেছেন জেলও। এত কিছুর পরও স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে তার।
বিচ্ছেদের পর গড়ে তোলেন নতুন দল। আগামী ২৫ অক্টোবরের নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আলাসানে উয়াতারার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হচ্ছে তাঁকে। ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন সিমিওনি বাগবোর প্রাক্তন স্বামী লরেন বাগবো। কঠোর ব্যক্তিত্বের কারণে তখন থেকেই সিমিওনি আয়রন লেডি নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। সত্তরের দশকে শিক্ষকতা করতেন সিমিওনি। ইতিহাস ও ভাষাতত্ত্বে স্নাতক এই মহিলা সক্রিয় ছিলেন দেশটির শ্রমিক আন্দোলনে। সেই সূত্রেই পরিচয় লরেনের সঙ্গে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স হউফুয়ের স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে একাধিকবার কারাবন্দীও হয়েছিলেন তাঁরা।১৯৮২ সালে লরেন বাগবোর সঙ্গে যৌথভাবে আইভরিয়ান পপুলার ফ্রন্ট নামে একটি দল গঠন করেন সিমিওনি। ২০০০ সালে লরেন বাগবো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে সিমিওনি হয়ে ওঠেন রাষ্ট্রক্ষমতার অদৃশ্য নিয়ন্ত্রক।
গৃহযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ২০১২ সালে বাগবো দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে আইসিসি। সিমিওনির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার করা হলেও লরেনকে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত এই আদালতের হেফাজতে কাটাতে হয় সাত বছর। ২০২১ সালে লরেন দেশে ফিরেই সিমিওনির সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন।