
গ্রীষ্মকালে দেশে নানা ফলের দেখা পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে,আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুসহ নানা ফল।
জাতীয় ফল কাঁঠালের রয়েছে নানা উপকারিতা। সাধারণতঃ গরমের এই ফলটি কাঁচা-পাকা দুভাবেই খাওয়া যায়। অন্যদিকে এই কাঁঠালের প্রতি প্রায় সবারই রয়েছে বাড়তি টান।কাঁঠালের রসালো কোয়া মুখ পুরলেই যেন মন ভরে যায়।পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, কাঁঠাল শরীরের জন্যেও অত্যন্ত উপকারী। শুধু রসনাতৃপ্তি নয়, কাঁঠালের গুণে অনেক শারীরিক সমস্যার অবসান ঘটে।যেমন,কাঁঠালের ফ্ল্যাভোননস উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। তাই রক্তচাপ বেশি হলে কাঁঠাল খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া এটি শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।গরমে রোগবালাইয়ের শেষ নেই।রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায় কাঁঠাল।প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কাঁঠালের জুড়ি মেলা ভার। যেকোনো ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতেও কাঁঠাল উপকারী।এখন বলা হচ্ছে,ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় কাঁঠাল।ডায়াবেটিক রোগীরা কাঁঠাল খেতে পারেন খোলা মনে। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কাঁঠাল থাকলে হার্টের রোগ ও টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।কাঁঠালে ক্যারোটিনয়েডস থাকার কারণেই এমন হয়। ব্রাজিলে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমীক্ষায় কাঁঠালে এই উপাদানের উপস্থিতির বিষয়টি প্রথম জানা যায়।এর বাইরে ত্বকের জন্যও ভালো কাঁঠাল।অন্যদিকে,গরমে ত্বকের সমস্যা বাড়ে।সেই সঙ্গে নিত্যদিনের অযত্নে ত্বক পুষ্টিহীন হয়ে পড়ে। কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এই উপাদানগুলো ত্বক ভেতর থেকে টান টান রাখে। তবে মাথায় রাখতে হবে কোনো খাবারই অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়।
তেমনি কাঁঠাল বেশি খেলেও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সীমিত পরিমাণে কাঁঠাল খাওয়া উচিত।
