গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ? ভুলেও খাবেন না

0
8

গ্যাসের সমস্যা আজকাল চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ মন ভরে সব কিছু খেতে পারেন না। একটু এদিক-ওদিক হলেই পেট ব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া, গলা বুক জ্বালাপোড়া সহ সহ হজমের একাধিক সমস্যা।

রোজকার খাবারেই এমন কিছু উপাদান আছে, যেগুলি এই সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়।  অনেক সময় অজান্তেই দিনের পর দিন এগুলি খেয়ে চলেন আর গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে থাকেন।এর জন্য দায়ী হতে পারে কিছু সবজিও। তাই গ্যাসের সমস্যা দূর করতে এ বার থেকে এড়িয়ে চলুন কয়েকটি খাবার।এই যেমন ,এঁচড় বা কাঁচা কাঁঠাল। অনেকে আবার একে নিরামিষভোজীদের নন-ভেজ আইটেম বলেও ডাকেন। বাঙালি ঘরে পাতে ইঁচড়ের ঝোল থাকলে লোভ সামলানো মুশকিল হয়ে যায়। এই সবজি পুষ্টিকর হলেও গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের জন্য একেবারেই ভালো নয়।অন্যদিকে মুলো শীতকালিন সবজি। তবে অন্যান্য সময়েও দেশের নানা প্রান্তে পাওয়া যায় মুলো সবজি। এই সময়টায় মুলার নানা তরকারি, স্যালাড বা মুলোর পরোটাসহ একাধিক পদ পছন্দ করেন মানুষজন। কিন্তু মুলো গ্যাসট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে দেবে। পেট ব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই যদিও অল্পবিস্তর মুলোর তরকারি খান, তা হলে খাওয়ার পর একটু জোয়ানের জল বা পুদিনা খেতে পারেন।আবার,কাবুলি ছোলা বা সাদা ছোলাও গ্যাসট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে দেবে। ছোলে পুরি, ছোলে ভাটুরে, ছোলে চাওলসহ একাধিক বিখ্যাত উত্তর ভারতীয় পদ রয়েছে। কিন্তু যাঁরা হজমের সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিকে ভুগছেন, তাঁদের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয় এই ছোলে। যাঁরা কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা এই ধরনের ছোলা থেকে দূরে থাকুন। আর আছে রাজমা। উত্তর ভারতের অধিকাংশ পরিবারেই প্রতি সপ্তাহে রাজমা-চাওল খাওয়াটা একটা রীতিতে পরিণত হয়ে গিয়েছে। তবে শুধু উত্তর ভারতীয় নয়, অন্যরাও রাজমার নানা পদ পেলে লোভ সামলাতে পারেন না। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও একাধিক সমস্যা আছে। বিশেষ করে যারা হজমের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে বড় ছোলার মতো রাজমাও বিপজ্জনক। যতটা পারবেন রাজমা এড়িয়ে চলুন।আছে রুট।টারো রুট বা আরবি অনেকেই পছন্দ করেন এই সবজি। কারি বা অন্য কোনও তরকারি বানিয়ে খান। ডালের সঙ্গে এই সবজির তরকারি দারুণ জমে। কিন্তু যাদের গ্যাসের সমস্যা আছে, তাদের জন্য বিপদ করতে পারে আরবি। এটি পেটের সমস্যার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও বাড়িয়ে দেয়।