
যাদবপুরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের। আর তাতেই আপত্তি জানিয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
যাদবপুর নিয়ে মামলার শুনানি ১২ মার্চের বদলে ১৩ মার্চ করার আবেদনের শুনানিতে বিচারপতির সঙ্গে কার্যত বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালত কক্ষে দাঁড়িয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গিয়েছে এই কোর্টে আর মামলাই করবেন না। পাল্টা বিচারপতি প্রশ্ন করেছেন সেদিন মন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কতজন পুলিশ আধিকারিক আহত হয়েছেন। মন্ত্রীর নিরাপত্তায় গুরুতর গাফিলতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি। প্রচুর লোক এসে মন্ত্রীর ওপর হামলা করেনি, নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যাও অপ্রতুল ছিল না। কেনই বা গোয়েন্দা রিপোর্ট আগেভাগে পুলিশ পেল না। মন্তব্য করেছেন বিচারপতি ঘোষ। জবাবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন পুলিশের ব্যর্থতা নয়, এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রুটি। ব্রাত্য বসু পার্টি মিটিংয়ে ছিলেন। তখন পিএসওদের বাইরে রাখা হয়। ওখানে সেটাই হয়েছিল।
বিচারপতি পাল্টা জানিয়েছেন এখানে বৈঠকে বিক্ষোভ হয়নি। বৈঠক শেষে বেরিয়ে আসার পর হয়েছে। মন্ত্রীর প্রোটোকলের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি।




