
কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। বুধবার প্রথম দফার ২৪ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। এক দশক পরে জম্মু ও কাশ্মীরে আবার বিধানসভা ভোট হচ্ছে।
তবে ২০১৪-র মতো পূর্ণ রাজ্য নয়, ৩৭০ ধারা বাতিলের ফলে বিশেষ মর্যাদা খোয়ানোর পাশাপাশি রাজ্যের তকমাও হারিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর। ফলে এই বিগত ১০ বছরে অনেক কিছু পাল্টে গিয়েছে উপত্যকার রাজনীতিতে। বুধবারের ভোটগ্রহণ পর্বে সকলকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।নির্বাচনের কারণে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে উপত্যকা।কারণ বিগত কয়েক দিন ধরে বারবার জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে জম্মু-কাশ্মীরে। সশস্ত্র আধা সামরিক বাহিনী থেকে শুরু করে জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সাজানো হয়েছে বহু স্তরে। সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে বদ্ধ পরিকর কমিশনও। যেখানে যেখানে ভোট, সেই সব এলাকায় চলছে রুটমার্চও।প্রথম দফায় ২১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কুলগামের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ ইউসুফ। ডুরুতে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে গুলাম আহমেদ মিরকে। এছাড়াও, ন্যাশনাল কনফারেন্স দলের সাকিনা ইতু, পিডিপির সারতাজ মাদনি, ইলতিজা মুফতি-সহ আরও অনেকের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ। পুলওয়ামা, ডোডা, অনন্তনাগ, শ্রীগুফওয়াড়ার মতো কেন্দ্রের দিকেও নজর রয়েছে।








