ডিমেনশিয়ার সংকটে জাপান, ভরসা প্রযুক্তিতে

0
144
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

১৮ হাজারের বেশি বৃদ্ধ মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে গিয়েছেন তাদের বাড়ি থেকে। তারা আর ফেরেননি।

এর মধ্যে পাঁচশ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে।সংক্ষেপে এই হচ্ছে জাপানের ডিমেনশিয়ার ভয়াবহতা। ২০১২ সালের পর থেকে এমন ঘটনার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।জনসংখ্যা কমে যাওয়া আর বিদেশি কর্মী আনার সীমাবদ্ধতার কারণে সংকট আরও তীব্র হয়েছে।জাপান সরকার ডিমেনশিয়াকে এখন সবচেয়ে জরুরি নীতিগত চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হিসাবে দেখছে। জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হিসাব করে বলেছে, ২০৩০ সালে ডিমেনশিয়া সম্পর্কিত স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবার ব্যয় দাঁড়াবে ১৪ ট্রিলিয়ন ইয়েন, যা প্রায় ৯ হাজার কোটি ডলার।দেশের নানা অঞ্চলে পরিবারগুলো জিপিএসভিত্তিক সিস্টেম ব্যবহার করছে।এর ফলে ডিমেনশিয়া আক্রান্ত কেউ নির্দিষ্ট এলাকা ছাড়লেই স্থানীয় প্রশাসন খেবর পেয়ে যায়। কিছু শহরে খুচরা পণ্যের দোকান কর্মীরাও সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্ট পায়। এর ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হারানো মানুষকে খুঁজে পাওয়াও গেছে। এদিকে প্রযুক্তির আরেক দিক আগেভাগে রোগ শনাক্ত করা। ফুজিৎসুর ,এআইগেট নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভঙ্গি আর হাঁটার ধরন বিশ্লেষণ করে ডিমেনশিয়ার প্রাথমিক লক্ষণ ধরে। যেমন হাঁটার সময় পা টেনে নেওয়া, ধীরে শরীর ঘোরানো বা দাঁড়াতে কষ্ট হওয়া।ডাক্তাররা নিয়মিত চেকআপে এই ডেটা দেখে দ্রুত হস্তক্ষেপ করতে পারেন। ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা তৈরি করছেন আইরেক নামের দেড়শ কেজি ওজনের মানবাকৃতির রোবট, যেটাকে ভবিষ্যতের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ভাবা হচ্ছে।

এটি মোজা পরানো, ডিম ফেটানো, জামাকাপড় ভাঁজ করার মতো কাজে সাহায্য করে। গবেষকেরা আশা করছেন ভবিষ্যতে এটি ডায়াপার বদলানো বা বেডসোর প্রতিরোধ করতেও পারবে।