জাপানে মহাকাশপ্রেমীদের নিজস্ব স্যাটেলাইট

0
5

রকেট কিংবা স্যাটেলাইট নিয়ে শেখার মানসিকতার কয়েকজন জাপানিদের নিয়ে তৈরী একটি গ্রুপ রাইমান স্যাট স্পেসেস। এই গ্রুপে ৯টা-৫টা অফিস করা মানুষজন এবং শিক্ষার্থীরাও রয়েছে।সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তারা বিভিন্ন জায়গায় গেট টুগেদার করে এবং রকেট আর স্যাটেলাইট বানান।

স্পেস বা মহাকাশ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কারণে দিন দিন স্পেস নিয়ে বিভিন্ন প্রাইভেট সেক্টরগুলোও কাজ করা শুরু করেছে। এসব প্রাইভেট সেক্টরগুলো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরেও যে স্পেস নিয়ে কাজ করা যায়, এ বিষয়টিকে বেশ স্পষ্টভাবেই প্রাধান্য দেয়। টোকিও’র এডোগাওয়া ওয়ার্ডের একটা ছোট্ট ওয়ার্কশপে একত্রিত হওয়া এই গ্রুপের মেম্বার সংখ্যা এখন ৭৯০। এই গ্রপের ৭০ ভাগ লোক স্পেস টেকনোলজি নিয়ে সরাসরি জ্ঞান রাখে। বাকিদের সবাই এখানে একদম শূন্য থেকে শুরু করেছে। এরা ছোট ছোট টিমে ভাগ হয়ে রকেট এবং স্যাটেলাইট ডেভেলপমেন্ট, স্পেস এবং মানুষের যোগসূত্র নিয়ে মানুষদের মাঝে সচেতনতার কাজ করে।বিভিন্ন অনুদান, নিজেদের পকেটের টাকা এবং ক্রাউডফান্ডিং করে তারা এই গ্রুপের কর্মকান্ড চালায়। সবাই নিজ নিজ খরচে কেনা যন্ত্রপাতি এনেই এখানে কাজ করে। তাদের প্রতিটি ছোট ছোট স্যাটেলাইট বানাতে দেড় থেকে ২ কোটি টাকা খরচ হয়।তারা বিভিন্ন স্যাটেলাইট নিয়ে নানাবিধ বই এবং অনলাইন রিসার্চ পেপার স্টাডি করে স্যাটেলাইট বানাচ্ছে। তারা ২০১৮ সালে সর্বপ্রথম জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সী, জাক্সা’র সাথে সম্মিলিতভাবে কাজ করেছে। একই বছর তারা তাদের প্রথম পরীক্ষামূলক স্যাটেলাইট লঞ্চ করেছে। গ্রুপটি একটি ‘সেলফি স্যাটেলাইট-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।স্যাটেলাইটটির একটি এক্সটেন্ডিবল হাতে ক্যামেরা লাগানো থাকবে যা দিয়ে স্যাটেলাইটটি পৃথিবীকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে সেলফি তুলতে পারবে।মহাকাশে ভ্রমণ করার সময় একটা স্যাটেলাইটের প্রতি মুহূর্তের পরিবর্তনের ছবি পাঠাতে পারবে এই স্যাটেলাইট। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানো যাবে বলে তাদের ধারণা।