
বাংলার হারিয়ে যাওয়া যাত্রা শহরবাসীর কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও যাত্রাকে পৌঁছে দিতে তৎপর হয়েছে সরকার।
উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র জগতের অভিনেতা, অভিনেত্রীদের মতো পারিশ্রমিক পান না এই শিল্পের সঙ্গে যুক্তরা। যাত্রাশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কর্পোরেট স্পনসর প্রয়োজন। তাই ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে স্পনসরশিপ আনার প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে। সেটা সম্ভব হলে আবারও স্বগরিমায় এই শিল্প ফিরবে বলেই আশা করেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কথায় মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর সরকার সেই চেষ্টা করছে।
যাতে যাত্রা আগামী দিনে শুভযাত্রায় পরিণত হয়। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৬ মার্চ, বারাসত কাছারি ময়দান, রবীন্দ্রসদন, ফণিভূষণ বিদ্যাবিনোদ যাত্রামঞ্চ, একতারা মুক্তমঞ্চে মাসখানেকের উপর যাত্রা উৎসব চলছে।
