
স্ত্রী গরিমা গার্গ শইকীয়া পাশে থাকলে বন্ধু জ়ুবিন গার্গ এ ভাবে হয়তো চলে যেতেন না। প্রতি মুহূর্তে এমনই উপলব্ধি গায়িকা জোজো মুখোপাধ্যায়ের।
সে কথা তিনি জানিয়েওছেন বন্ধুপত্নীকে। জোজো সম্প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন, জ়ুবিন বরাবর,রাতজাগা। তাঁকে ঘুমোতে না দিয়ে সকাল সকাল স্কুবা ডাইভিংয়ে কী করে নিয়ে যাওয়া হল? কেউ বাধা দিলেন না।বস্তুতঃ বন্ধুর প্রয়াণে মুষড়ে পড়েছিলেন। সে সময়ে জ়ুবিনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারেননি। সম্প্রতি জোজো উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলেন সদ্যপ্রয়াত শাশুড়িমাকে শ্রদ্ধা জানাতে।সেখান থেকে উড়ে যান অসম। প্রয়াত বন্ধুর অসুস্থ বাবা আর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি।গায়িকা জানিয়েছেন, অসম এখনও ভুলতে পারেনি তাদের ভূমিপুত্রকে। ভোলা সম্ভবও নয়। জোজো দেখেছেন, গায়কের সমাধিস্থল যেন মন্দিরে পরিণত হয়েছে। বাইরে বিক্রি হচ্ছে ফুল, গামোছা। দর্শনার্থীরা সে সব নিয়ে ভিতরে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও জনস্রোত সেখানে।একই ভাবে রাস্তায়, গলিতে, পথের মোড়ে বাজছে শিল্পীর গান।রাস্তা সাজানো প্রয়াত গায়কের ছবিতে।স্কুল, কলেজ, জনসমাবেশ-সহ সমস্ত অনুষ্ঠান শুরুর আগে স্মরণ করা হচ্ছে জ়ুবিনকে।সব দেখে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার ঘনিষ্ঠদের কাছে গায়িকার বার্তা, প্রতি বছর জ়ুবিনের নামে একটা উৎসব করুন। এ ভাবেই বেঁচে থাকুন শিল্পী। গরিমা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে। তাঁর সঙ্গেও বেশি কথা বলা সম্ভব হয়নি তাঁর। তবে গায়িকা জোজো ,গরিমাকে অনুযোগ জানিয়েছেন, তিনি সিঙ্গাপুরে জ়ুবিনের সঙ্গে থাকলে কিছুতেই বন্ধুর মৃত্যু হত না। বরাবর রাত জেগে গান বাঁধতেন জ়ুবিন।
পরের দিন সকাল থেকে বিশ্রাম নিতেন। সেই বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটিয়ে তাঁকে জলের নীচে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কেন?








