বিজাপুরে ঠিকাদারের বাড়ির সেপ্টিট্যাঙ্কে উদ্ধার সাংবাদিকের দেহ

0
119
ছবি : সংগৃহীত

নিখোঁজ থাকার ২দিন পরে ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে এক ঠিকাদারের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে সাংবাদিক মুকেশ চন্দ্রাকরের দেহ। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

যদিও যার বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে সাংবাদিক মুকেশের দেহ উদ্ধার হয়েছে সেই সুরেশ চন্দ্রাকার গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি সর্বভারতীয় সাংবাদমাধ্যমে কাজ করতেন মুকেশ। বস্তারে ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মাণ নিয়ে দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ্যে এনেছিলেন তিনি। ওই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল স্থানীয় ঠিকাদার ও বাহুবলী সুরেশ চন্দ্রাকারের। দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে আসতেই ওই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, ১ জানুয়ারি অভিযুক্ত সুরেশের ভাই রীতেশ মুকেশকে ডেকেছিল। তারপরেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান মুকেশ। রাত পেরিয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরেনি সে।  ফোনেও যোগাযোগ করা যায়নি।  এর পরেই ভাইয়ের নিখোঁজ থাকার বিষয়ে বিজাপুর থানায় মিসিং ডায়েরি দায়ের করেন মুকেশের দাদা।

অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে সুরেশ চন্দ্রাকারের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। বিজাপুরের পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, খুনের পিছনে সম্প্রতি তাঁর করা কোনও রিপোর্টিংযয়ের যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।