
একটি নয়, কসবার হোটেলে দুটি ঘর ভাড়া নেওয়া হয়েছিল।একটি ঘরে ছিলেন চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আদর্শ লোসাল্কা নিজে,অন্য ঘরে ছিলেন অভিযুক্ত তরুণী ও যুবক।
পরবর্তীতে ওই তরুণী এবং যুবক আদর্শের রুমে ঢুকেছিলেন। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে ওই তরুণী কালীঘাটের বাসিন্দা এবং যুবকের বাড়ি নদিয়ায়। তদন্তকারী অফিসাররা মনে করছেন এরা দুজনে খুনের ঘটনায় যুক্ত। আদর্শ-র মোবাইল ফোন মেলেনি। এমনকি শনিবার দুপুরের পর আদর্শের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছে। আদর্শের মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে ডেটিং অ্যাপের কোনও লিঙ্ক রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কসবার কনস্যুলেট হোটেল থেকে আদর্শ লোসাঙ্কা-র দেহ নগ্ন অবস্থায় ছিল। তাঁর পা দুটো তোয়ালে দিয়ে বাঁধা ছিল।
জানা গিয়েছে অনলাইনের মাধ্যমে হোটেল বুক করে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় কসবার রাজডাঙার কনস্যুলেট হোটেলে ৩ জনেই চেকইন করেছিলেন। এরপর রাত ২টোয় চেক আউট করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন এক তরুণী ও যুবক। কিন্তু শনিবার বেলা হয়ে গেলেও আদর্শ নামে ওই যুবক না বেরনোয় সন্দেহ হয় হোটেল কর্তৃপক্ষের। এরপরেই ঘরের মধ্য থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় আদর্শ-র দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।





