
আনন্দপুর থানার কাছেই আস্তানা গেড়েছিল পাটনায় হাসপাতালে চন্দন মিশ্র-র খুনিরা। আর ওই গেস্ট হাউসে পার্কিংয়ে ছিল সাদা গাড়ি। যে গাড়ি করে পাটনা থেকে ঝাড়খণ্ড হয়ে কলকাতায় ঢুকেছিল তৌসিফরা।
বিভিন্ন জায়গায় সিসিটিভি ফুটেজে এই সাদা গাড়িটি দেখা গিয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে থেকে সংগ্রহ করা গাড়ির নম্বর দিয়েই দুষ্কৃতীদের খোঁজ শুরু হয়। এরপরেই এই গাড়ির সূত্র ধরেই আনন্দপুরের গেস্টহাউসে দুষ্কতীদের খোঁজ মেলে।
আনন্দপুর থানা থেকে প্রায় ২৮০ মিটার দূরে ওই গেস্ট হাউসেই আস্তানা গেড়েছিল দুষ্কৃতীরা। আর এই গেস্ট হাউসের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল চন্দন মিশ্র খনে মূল অভিযুক্ত তৌসিফের দাদা নিশু খানের বান্ধবী।






