
স্কুল মন্দিরের সামনে তৈরি হচ্ছে বার, বন্ধ সিঁড়ি। আগুন নেভানোর ব্যবস্থা ৩ বছর ধরে খারাপ। তারপরেও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সাফাই কেউ না জানলে পুরসভা জানবে কি করে। আর তাঁকে পাল্টা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
তাঁর কথায় টাকা দিয়ে সবার মুখ বন্ধ থাকলে মুখটা খুলবে কে। যাদের দেখার দায়িত্ব পুরসভা, দমকল, আবগারি দফতর এরাজ্যে উঠে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। বড়বাজারের ঋতুরাজ হোটেলর শেষবার দমকলের এনওসি নেওয়া হয়েছিল ৩ বছর আগে। হোটেলে বেআইনিভাবে বার-ডান্স ফ্লোর তৈরির অভিযোগ। কীভাবে হোটেল বেআইনি নির্মাণ হচ্ছিল। কীভাবেই বা স্কুলের সামনে বার, ডান্স ফ্লোর তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। বার, ডান্স ফ্লোরের জন্যই বন্ধ ছিল হোটেলের দ্বিতীয় সিঁড়ি। এমনটাই অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের। এতকিছুর পরেও মেয়র ফিরহাদ হাকিম আজব যুক্তি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যখন নির্মাণ হচ্ছিল তখন কেন অভিযোগ আসেনি। ঠিক যেমন কাশ্মীরে ক্ষেত্রে হয়েছে। জঙ্গিদের বাড়ি যদি জানাই ছিল তবে কেন আগে ওড়ানো হয়নি। সার্কাস চলছে বলে পাল্টা জবাব দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী তো বলেই দিয়েছেন দমকলমন্ত্রী টাকা খায়। মৃতের সংখ্যা নিয়ে একেক জন একেক কথা বলছেন। শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী ফিরলে সঠিক মৃতের সঠিক সংখ্যাটাক জানানো হয়ে। তথ্য গোপনের সম্ভাবনার কথা বলে সুকান্ত মজুমদার বলেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিয়ে বলেছেন মানুষের প্রাণ যাচ্ছে, আর উনি প্রাণপ্রতিষ্ঠা করছেন।









