
বড়বাজারে হোটেল ঋতুরাজ-র ফায়ার লাইসেন্স-র মেয়াদ শেষ হয়েছিল ৩ বছর আগেই। তারপর আর রিনিউ করা হয়নি। বুধবার ঘটনাস্থল ঘুরে এমনটাই দাবি করেছেন দমকলের ডিজি রণবীর কুমার।
তাঁর দাবি ওই হোটেলের ফায়ার লাইসেন্স-র মেয়াদ শেষ হয়েছিল ৩ বছর আগে ২০২২এ। হোটেলে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকলেও অগ্নিকাণ্ডের সময় সেটি কাজ করেনি। তাহলে এত মানুষের মৃত্যু হত না। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুও জানিয়েছেন অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলে ফায়ার অ্যালার্ম বাজেনি। মেছুয়ার ঋতুরাজ হোটেলে বিধি উড়িয়ে বার, ডান্স ফ্লোর তৈরির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কার্যত সেই অভিযোগ মেনে নিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তখন এলাকাবাসীর প্রশ্ন কিভাবে স্কুলের সামনে এভাবে ডান্স বার তৈরি হতে পারে। তারপরে তিন বছর ধরে হোটেল চলছিল কিকরে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন স্থানীয়রা। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল বড়বাজারের ৬ তলা ঋতুরাজ হোটেল। ইটের গাঁথনি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছি হোটেলের ঘরের সমস্ত জানালা। এমনকি অন্য এক্সিট পয়েন্ট হোটেলের আরও একটি সিঁড়িও বন্ধ করা ছিল। ফলে আগুন লাগার পর ধোঁয়া বের হওয়ার জায়গাই ছিল না। কার্যত গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছিল হোটেলটি।
ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়েই এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর দমকল মনে করছে আগুনে পুড়ে নয়, ধোঁয়ার কারণে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। হোটেলের দোতলায় ডান্স ফ্লোরের জন্য প্লাইউডের কাজ চলছিল। সেখানেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এমনটাই অনুমান। ইতিমধ্যেই হোটেলের ম্যানেজারকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এখনও বেপাত্তা হোটেল মালিক।




