
সব ঋতুতেই যাতে লাদাখে যাতায়াত করা যায়, তা সুনিশ্চিত করতে ফোটু লা পাসে নতুন এক সুড়ঙ্গ তৈরির জন্য ইতিমধ্যে বরাতের দর হেঁকেছে সড়ক পরিবহণ এবং জাতীয় সড়ক মন্ত্রক। এক নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে হবে সেই সুড়ঙ্গ।
সেটি তৈরি হলে কাশ্মীরের সঙ্গে লাদাখের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। মে মাসে ফোটু লা সুড়ঙ্গের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ফোটু লা এবং জোজিলা সুড়ঙ্গ নির্মাণে খরচ পড়বে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। আগামী সপ্তাহে জোজিলা সুড়ঙ্গের নির্মাণ প্রায় শেষ হতে চলেছে। ৯ জুন সে জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ীর। এখনই অবশ্য ওই সুড়ঙ্গ দিয়ে যাতায়াত সম্ভব হবে না। তবে ১১৩.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গের কাজ অনেকটাই এগিয়ে থাকবে। ২০২৮ সাল নাগাদ এশিয়ার দীর্ঘতম এই সুড়ঙ্গে গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে।
জোজিলা এবং ফোটু লা চালু হয়ে গেলে সারা বছর কাশ্মীর থেকে লাদাখে যাতায়াত করা যাবে। শীতকালে তুষারপাতেও সমস্যা হবে না। শুধু ফোটু লা সুড়ঙ্গের জন্যই বরাদ্দ করা হয়েছে ৮২৪.১২ কোটি টাকা। প্রকল্প শেষ হতে সময় লাগবে তিন বছর। জোড়া সুড়ঙ্গের এক একটি দুই কিলোমিটার দীর্ঘ। সঙ্গে সড়ক জুড়ে এই প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ২.৬৫ কিলোমিটার। শ্রীনগর-কার্গিল-লেহ সড়কে সর্বোচ্চ অংশে গড়ে উঠছে এই সুড়ঙ্গ। উচ্চতা প্রায় ৪,১০৮ মিটার। শ্রীনগরকে কার্গিল এবং লেহর সঙ্গে জুড়তে চলেছে এই সুড়ঙ্গ।
