
তৃণমূল নেতা পিন্টু চক্রবর্তী খুনে ভোলানাথ দাস ওরফে বাঘার দাবি, খুন হওয়া পঞ্চায়েত সদস্য অন্যের জমি দখল করে নিতেন। তাঁর সঙ্গী ছিলেন আর এক তৃণমূল নেতা।
সেই রোষেই কি তাঁরা খুন করেছেন? যদিও এর জবাব দেননি একদা হুব্বা শ্যামলের প্রতিদ্বন্দ্বী বাঘা। হুগলির কানাইপুরের পঞ্চায়েত সদস্য পিন্টু ওরফে মুন্না খুন হন গত বুধবার। পুলিশ মোট চার জনকে গ্রেফতার করেছে। বাঘার ভাই তথা পিন্টুর বন্ধু বিশ্বনাথ দাস ওরফে বিশা খুনের সুপারি দেন বলে পুলিশের অনুমান। মোট ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে দুই ভাড়াটে খুনি আনা হয়েছিল। সোমবার ধৃত বাঘাকে হাজির করানো হয় শ্রীরামপুর আদালতে। সেখানেই দুই তৃণমূল নেতার নাম করে জমি লুটের অভিযোগ করেছেন তিনি। পিন্টুর খুনের তদন্তে আগেই জমি কারবার-কে অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন চন্দনগর পুলিশ কমিশনারেটের তদন্তকারীরা। তৃণমূল নেতা খুনে মূল চক্রী বলা হচ্ছে বাঘা এবং বিশাকে। পুলিশ এখন দাবি করেছে, পিন্টুকে খুন করার জন্য তিন লক্ষ টাকা দেন কুখ্যাত বাঘা। সেই টাকা বিশার হাত থেকে নিয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার শাসন ও বারাসতের দুই দুষ্কৃতী। দু’দিন আগে বিশা-সহ দুই ভাড়াটে খুনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার বিশার আট দিনের এবং দুই ভাড়াটে খুনি বিশ্বজিৎ প্রামাণিক ও দীপক মণ্ডলের ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে। অন্য দিকে, বাঘাকে পাকড়াও করা হয়েছে বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে।




