
সন্ধ্যাতেই অন্ধ্র উপকূলে ল্যান্ডফল করেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মান্থা। আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতি ছিল ঘন্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার। সর্বাধিক গতি পৌঁছায় ১১০ কিলোমিটার। এই ঝড় আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে ভোররাত পর্যন্ত চলেছে।
এই ঝড়ের তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের মছলিপত্তনম, কলিঙ্গপত্তনম, চিত্তর, তিরুপতি, কাকিনাড়া, তামিলনাড়ু, ওড়িশা উপকূলে। একাধিক জায়গায় গাছ উপড়ে, গিয়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। বন্ধ করা হয়েছে স্কুল-কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে বিশাখানপত্তনম শহর, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলে। মাম্বার প্রভাবে ফুঁসছে সমুদ্র। বুধবার পর্যন্ত চলতে পারে সেই বৃষ্টি। তবে টানা নয়, বিক্ষিপ্তভাবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। অন্ধ্রপ্রদেশের ১৬টি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
সমুদ্রের জল ভিতরে ঢুকে পড়ায় উল্লাদা, সুব্বামপেট, মায়াপত্তনম এবং সুরাদপেট থেকে উপকূলবর্তী পরিবারগুলিকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মাম্বার তাণ্ডবের হাত থেকে বাঁচতে রেল কর্তৃপক্ষ অন্ধ্র প্রদেশ জুড়ে ৬৫ টিরও বেশি যাত্রীবাহী ও এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকা থেকে বহু মানুষকে সরিয়ে ত্রাণ শিবিরে পাঠিয়েছে ওড়িশা, তামিলনাড়ু প্রশাসনও।
