
এক পুলিশ অফিসারের দ্বারা একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ তুলে আত্মঘাতী হয়েছেন মহারাষ্ট্রের এক তরুণী চিকিৎসক। সেই ঘটনায় শনিবার পুলিশ ওই মৃতা চিকিৎসকের বাড়িওয়ালার ছেলে প্রশান্ত বনকরকে গ্রেফতার করেছে। আরেক অভিযুক্ত সাব ইন্সপেক্টর গোপাল বাদনে এখনও পলাতক।
তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। হাসপাতালের কাছে একটি হোটেলে উঠে মৃত্যুর আগে বাঁ হাতের তালুতে লিখে গিয়েছিলেন অভিযুক্তদের নাম- আর সেই লেখাই এখন তদন্তের মূল সূত্র। সূত্রের খবর, শুধু হাতে নয়, চার পাতার একটি সুইসাইড নোট ও রেখে গিয়েছেন তিনি, যাতে উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ। দাবি, তাতে এক সাংসদের নামও রয়েছে, যিনি ফোন করে তাঁকে ভুয়ো রিপোর্ট তৈরির চাপ দিতেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সাতারা জেলার ফলটনের ওই হোটেলের ঘর থেকে উদ্ধার হয় মহিলা চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ। তিনি ওই এলাকার মহকুমা হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ছিলেন। পুলিশের দাবি, রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ হোটেলের বন্ধ ঘর খুলে দেহ উদ্ধার করা হয়। এর পরেই প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আত্মহত্যার আগে নিজের বাঁ হাতের তালুতে লিখে গিয়েছিলেন চিকিৎসক, কেন নিজেকে শেষ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।








