
জাহাঙ্গির খানের হয়ে আদালতে সওয়াল করলেন না কোনও আইনজীবী। শেষপর্যন্ত ফলতার তৃণমূল নেতাকে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠাল ডায়মণ্ডহারবার এসিজেএম আদালত।
মঙ্গলবার তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করে ফলতা থানার পুলিশ। ডায়মণ্ডহারবার বার অ্যাসোসিয়েশনের কোনও আইনজীবী জাহাঙ্গিরের পক্ষে সওয়াল করতে রাজি হননি। পরে জাহাঙ্গিরের আবেদনের ভিত্তিতে লিগাল এইডসের এক আইনজীবী তার পক্ষে সওয়াল করেন। বিক্ষোভ, ডিম হামলা এড়াতে সকাল সকাল জাহাঙ্গির খানকে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছিল। আদালতে উপস্থিত ছিলেন ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা আইনজীবী দেবাংশু পাণ্ডা। তিনি জানিয়েছেন ফলতার বাসিন্দা হিসেবে আদালতে এসেছিলেন। জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে মানষকে ভয় দেখিয়ে বাড়ি লুট, মারধর, তোলাবাজি, সন্ত্রাস, খুনের হুমকি মামলা রয়েছে স্বঘোষিত পুষ্পার বিরুদ্ধে। ভোেট পরবর্তী হিংসা মামলার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ফলতায় পুনর্নির্বাচনের ঠিক আগে ভোট থেকে সরে দাঁড়ান জাহাঙ্গির। তারপরেই জাহাঙ্গির খানের খানের আর কোনও খোঁজ মিলছিল না। শেষে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-র হাতে গ্রেফতার করে জাহাঙ্গির খান।
ভারত-নেপাল সীমান্তে বাড়িভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেছিল জাহাঙ্গির। নেপালে পালিয়ে গিয়ে পাকাপাকি থাকার চেষ্টা করছিলেন। আগেভাগে নেপালের স্কুলে ভর্তি করেছিলেন সন্তানদের। মিলেছে সন্তানদের স্কুলের ভর্তির তথ্য।
