
প্রয়াত হয়েছেন কিংবদন্তি তামিল অভিনেতা রাজেশ। বৃহস্পতিবার সকালে ৭৫- বছর বয়সে আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। পরিবার সূত্রে খবর, হঠাৎই শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেতার। তার সঙ্গে রক্তচাপও কমে গিয়েছিল অনেকটা। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় রাজেশকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় অভিনেতার।
দেশ জুড়ে ফের ছড়িয়েছে করোনা আতঙ্ক। চার-পাঁচ বছর আগের স্মৃতি ফের হানা দিচ্ছে। শ্বাসকষ্ট করোনার অন্যতম উপসর্গ। তাই অভিনেতার উপসর্গ জানতে পেরে উদ্বিগ্ন লোকজন। যদিও, তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন, এমন কোনও খবর এখনও জানা যায়নি। তাঁর মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে তামিল ইন্ডাস্ট্রিতে। অভিনেতার দেহ চেন্নাইয়ে রামাপুরমে তাঁর বাড়িতেই রাখা হয়েছে। অভিনেতার কন্যা আমেরিকা থেকে চেন্নাই ফিরলে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা যাচ্ছে। রাজেশ চেন্নাইয়ে পুত্রের সঙ্গে থাকতেন। স্ত্রী জোয়ান সিলভিয়া ভনাথিয়ার ২০১২ সালে প্রয়াত হন। রাজেশের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন দক্ষিণী তারকা রজনীকান্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন,তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যু বড় ধাক্কা। অভিনেত্রী রাধিকা সরথকুমারও শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, রাজেশের আকস্মিক মৃত্যু আমার কাছে বড় ধাক্কা। এক সঙ্গে বহু ছবিতে কাজ করেছেন। ১৯৪৯ সালের ২০ ডিসেম্বর তিরুভারুর জেলার মান্নারগুডিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন রাজেশ। তবে ছোট থেকেই অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল রাজেশের।
তাই স্কুল শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে দিয়ে চলচ্চিত্রে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ১৯৭৪ সালে তিনি কে বালাচন্দর পরিচালিত আভাল ওরু কোটারা কথাই ছবিতে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর আর তাঁকে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি নায়ক, খলনায়ক এবং গুণচিত্র সহ ১৫০ টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। ভাগ্যরাজের অন্ধা ৭ ডেইজ ছবিতে তার ভূমিকাও অনেককে মুগ্ধ করেছিল।
