
আদানি গোষ্ঠীকে আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এলআইসির টাকা নেওয়া হয়েছিল। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর , রীতিমতো পরিকল্পনা করে আদানি গোষ্ঠীতে টাকা ঢেলেছিল কেন্দ্র।
অতীতেও এমন অভিযোগ এনেছিল লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শেষপর্যন্ত এই বিতর্কে মুখ খুলল এলআইসি। শনিবার একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে এলআইসি বলেছেন , এলআইসি যে সমস্ত বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়, তা বোর্ড অনুমোদিত নীতি মেনে স্বাধীন ভাবে নেওয়া হয়। অর্থ দফতর বা অন্য কোনও সংগঠনের এতে কোনও ভূমিকা নেই। আইন অনুযায়ী, সমস্ত নির্দেশিকা মেনে এবং সর্বোপরি এলআইসির অংশীদারদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের উদ্দেশ্য এলআইসি-র ভাবমূর্তি নষ্ট করা এবং সংস্থার ক্ষতি করা বলেও দাবি কর্তৃপক্ষের। উল্লেখ্য , ২০২৩ সালে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হিন্ডেনবার্গের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্টক ম্যানিপুলেশনের অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি, ২০২৫ সালেই সেবি সেই কেসটি থেকে নিষ্কৃতি দেয় আদানি গোষ্ঠীকে।
