
হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে থেকেও মহাসাগরের প্রাণে শক্তি জোগাচ্ছে বা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে সাহারা মরুভূমি থেকে উড়ে আসা ধুলো কণা,সম্প্রতি এমনই উঠে এসেছে এক বিস্ময়কর আবিষ্কারে।সাহারা মরুভূমির এই ধুলো কণায় রয়েছে আয়রন।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা কোনো জ্যান্ত প্রাণীর শ্বাসপ্রশ্বাস, সালোকসংশ্লেষণ ও ডিএনএ সংশ্লেষণের মতো বিভিন্ন শারীরিক প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয়।আজকের মহাসাগরের অনেক অংশে আয়রনের সরবরাহ কম। যার মানে, আরও আয়রন যোগ হলে তা ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন নামের ক্ষুদ্র উদ্ভিদের বৃদ্ধিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে, যা পরিবেশ থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করতে ও বৈশ্বিক জলবায়ুকে প্রভাবিত করতে সাহায্য করে ।নদী, গলে যাওয়া হিমবাহ, হাইড্রোথার্মাল কার্যকলাপ ও বিশেষ করে বাতাসের মাধ্যমে মহাসাগরে প্রবেশ করতে পারে আয়রন। তবে জ্যান্ত প্রাণীর মাধ্যমে সহজে শোষিত হতে পারে না আয়রনের সব রূপ। অন্যদিকে জ্যান্ত প্রাণীরা যে ধরনের আয়রনের গঠন ব্যবহার করতে পারে তাকে বলা হয়,বায়োরিঅ্যাকটিভ আয়রন।গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ফ্রন্টিয়ার্স ইন মেরিন সায়েন্স-এ। এতে দেখা গেছে, সাহারা মরুভূমির ধূলিকণার আয়রন আটলান্টিক মহাসাগর থেকে যত দূরে ভ্রমণ করে তত বেশি তা বায়োরিঅ্যাকটিভ হয়ে ওঠে।








