
পূর্ব ঘোষণা মত চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে দেশের জনগণনার প্রাথমিক কাজ শুরু হতে চলেছে। শুরুতে বাসস্থান নথিভূক্ত করা হবে।
এজন্য প্রতিটি বাড়িতে একটি নির্দিষ্ট নম্বর লিখে দেবেন জনগণনা কর্মীরা। দ্বিতীয় দফায় প্রতিটি বাড়ির সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করা হবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হবে মাথা গোনার কাজ। সব মিলিয়ে তিন ধাপে সম্পন্ন হবে জনগণনা। তবে এবার নাগরিকেরা চাইলে নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালে জনগণনা সংক্রান্ত তথ্য নথিভূক্ত করতে পারেন। জনগণনা কর্মীরা বাড়ির যে নম্বর লিখে দিয়ে যাবেন পোর্টালে তা নথিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করা সম্ভব।যারা পোর্টালে প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করতে পারবেন না জনগণনা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের তথ্য সংগ্রহ করবেন।গণনা কর্মীদের প্রশিক্ষণের সুবিধার্থে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জনগণনা অধিদফতর ৩৩টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ করেছে। ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোশ্চেন অর্থাৎ বারে বারে সাধারণ মানুষ জানতে চাইতে পারেন এমন প্রশ্নগুলির জবাব এই ৩৩ প্রশ্নের মধ্যে রয়েছে। যাতে জনগণনা কর্মীদের কাজের সুবিধে হয়। পদে পদে তাদের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রয়োজন হবে না।সেই প্রশ্নোত্তরের তালিকায় একটি প্রশ্ন হল, লিভ ইন সম্পর্কে থাকা মহিলা পুরুষের সম্পর্ককে কীভাবে চিহ্নিত করা হবে? এই প্রশ্নের জবাবে জনগণনা কর্মীদের বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট মহিলা,পুরুষেরা যদি নিজেদের বিবাহিত বলে দাবি করেন তবে জনগণনা নথিতে সে কথাই লিখতে হবে।কোন কোন মহলের ধারণা লিভ ইন সম্পর্ককে বর্তমান সরকার কোনওভাবেই মান্যতা দিতে চায় না। তাই এই সংক্রান্ত তথ্য আলাদাভাবে সংগ্রহ করার কোন সুযোগ জনগণনায় রাখা হয়নি।
অর্থাৎ বিবাহিত এবং অবিবাহিত এই দুটি পরিসংখ্যান জনগণনার নথিতে থাকবে। লিভ ইন সম্পর্ক সরকারিভাবে অস্বীকৃতই থেকে যাবে।



