
কসবার হালতুতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে অটোচালকের আত্মহত্যার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে লোন এজেন্টকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত চঞ্চল মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, দেওয়ালে যে সুইসাইড নোট লিখে গেছিলেন সোমনাথ, তাতে এই ব্যক্তির নাম ছিল।
সেই সূত্রেই চঞ্চলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে মৃতের মামা ও মামিকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পেশায় অটোচালক ছিলেন সোমনাথ। তাঁর প্রতিবেশী এবং কয়েকজন অটোচালক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে, সোমনাথের আড়াই বছরের ছেলে রুদ্রনীল জন্ম থেকেই কঠিন অসুখে আক্রান্ত ছিল। তাঁর চিকিৎসার খরচ জোগাড় করার জন্য কিছুদিন আগে নিজের অটোও বিক্রি করে দিয়েছিলেন তিনি। এদিকে এই লোন এজেন্টের কথা জানতে পেরে পুলিশের হাতে তথ্য এসেছে, ছেলের চিকিৎসার জন্য একটি ব্যাঙ্ক থেকে ১০ লক্ষ টাকা লোন নিয়েছিলেন সোমনাথ। কিন্তু সেই লোনের টাকা শোধ দিতে পারছিলেন না। এই এজেন্টের বিরুদ্ধে চাপ দেওয়া অভিযোগ রয়েছে। তবে শুধুই মামার সঙ্গে সম্পত্তিগত বিবাদ নাকি সন্তান সুস্থ হবে না বুঝতে পেরেই সপরিবারে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত, সেটা এখনও স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। ইতিমধ্যে কসবা কাণ্ডের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, তিন বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে শ্বাসরোধের কারণে। কিন্তু তাঁকে কে খুন করেছেন, বাবা না মা, সেটা এখনও পরিষ্কার নয়।
রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়েছে, শিশুটির নাক এবং ঠোঁটে একাধিক আঘাত রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করার সময়ই সেই চোট লাগে তার। এতএব, সন্তানকে খুন করেই আত্মঘাতী হয়েছেন বাবা-মা।
