
কুলতলির মৈপীঠের কিশোরীমোহনপুরের পর অবস্থান বদলে উত্তর-পূর্বে সরে এসেছে সুন্দরবনের সেই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার।
উত্তর জগদ্দল লাগোয়া নদীর ধারে পায়ের ছাপ দেখে তার উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নতুন করে প্রায় ১ কিলোমিটার এলাকা জাল দিয়ে ঘেরার কাজ চলছে। বাঘ ধরতে শুরু হয়েছে খাঁচা বসানোর তোড়জোড়ও। অন্যদিকে লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় বাঘ চলে আসায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। জঙ্গলের পাশেই তাদের বসবাস। রুজি-রুটির জন্য তাঁদের জঙ্গলেও যেতে হয়। সেই ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে প্রশাসন। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জঙ্গল সংলগ্ন গোটা লোকালয় জাল দিয়ে ঘিরে ফেলার দাবি জানাচ্ছেন। এ ছাড়া নদীবাঁধ সংলগ্ন রাস্তায় যাতে আলো লাগানো হয়, তারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে রয়েছে মৈপীঠ উপকূল থানার পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে। বাঘ যাতে গ্রামের ভিতরে ঢুকে পড়তে না পারে, নিশ্চিত করতে সোমবার সারা রাত মশাল এবং টায়ার জ্বালিয়ে এলাকায় নজরদারি চালান স্থানীয় বাসিন্দা ও বনকর্মীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভাগীয় বনাধিকারিক নিশা গোস্বামী এবং দুই সহকারী বনাধিকারিক অনুরাগ চৌধুরী এবং পার্থ মুখোপাধ্যায় রয়েছেন ঘটনাস্থলে।
বন দফতর সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে বাঘকে তাড়িয়ে ওরিয়ান নালার ওপারে আজমলমারির জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
