
এখন দেখা যায় অনেক তরুণ-তরুণীই কোমরের ব্যথায় ভুগছেন।একটানা বসে কাজ করা, ভারী জিনিস তোলা বা ভুলভাবে শোয়া-বসা ইত্যাদি কারণে এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে।সেক্ষেত্রে সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে এই ব্যথা স্থায়ী রূপও নিতে পারে।
তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে, যা নিয়মিত মেনে চললে প্রাথমিক স্তরে কোমর ব্যথা অনেকটাই কমানো সম্ভব। যেমন,সঠিক ভঙ্গিতে না হাঁটা, বসা বা কাজ করলে মেরুদণ্ড ও কোমরে চাপ পড়ে।আবার ভারী কিছু তোলার সময় ভুলভাবে নড়াচড়া করলে পেশিতে টান লেগে ব্যথা শুরু হয়। হঠাৎ অতিরিক্ত ওজন বাড়লে তা কোমরের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, ফলে ব্যথা দেখা দেয়।এই অবস্থায় বলা হয় ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু টোটকা কার্যকর হতে পারে।যেমন রসুন তেল মালিশ।কয়েক কোয়া রসুন দিয়ে সরিষার তেল গরম করে নিন যতক্ষণ না রসুন কালচে হয়।তেল সহনীয় গরম থাকতে থাকতেই রাতে ঘুমানোর আগে কোমরে মালিশ করুন। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।আবার গরম বা ঠাণ্ডা-গরম সেঁক দেওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে গরম জলেতে কাপড় ভিজিয়ে কোমরে সেঁক দিলে পেশির টান কমে। চাইলে ঠান্ডা-গরম সেঁক একসঙ্গে দিতে পারেন।প্রথমে গরম জলেতে, পরে ঠাণ্ডা জলেতে ভেজানো কাপড় দিয়ে কয়েকবার সেঁক দিন।পাশাপাশি,জোয়ান হালকা গরম করে ঠাণ্ডা হলে চিবিয়ে খান। এরপর এক গ্লাস গরম জল পান করুন। টানা এক সপ্তাহ করলে উপকার পাবেন।
গরম লবণ সেঁকও দিতে পারেন।শুকনো খোলায় লবণ গরম করে একটি পরিষ্কার কাপড়ে বেঁধে কোমরে সেঁক দিন। এতে পেশি শিথিল হবে, ব্যথাও কমবে।তবে,কোমরে ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে প্রাথমিক ব্যথার ক্ষেত্রে এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো বেশ উপকারী।





