
মহাকুম্ভে মহাসমারোহে শুরু হয়েছে ব্রহ্মচর্য দীক্ষা অনুষ্ঠান। অন্ধকার থেকে আলোর পথে রওনা দিয়ে মহাকুম্ভের পবিত্রভূমি প্রয়াগরাজে চৈতন্যের সন্ধানে নতুপন পথ বেছে নিচ্ছেন তরুণরা।
মহাকুম্ভ মেলা প্রাঙ্গণে শ্রী শম্ভু পঞ্চঅগ্নি আখড়ায় দীক্ষাদান শুরু হয়েছে। চতুর্নামের ব্রহ্মচারীরা আদি গুরু শঙ্করাচার্যের ঐতিহ্য অনুসারে এই আখড়ায় রয়েছেন। শ্রী শম্ভু পঞ্চঅগ্নি আখড়ার মহামণ্ডলেশ্বর সম্পূর্ণানন্দ মহারাজ জানিয়েছেন, এই আখড়ায় লক্ষাধিক ব্রহ্মচারী আছেন। ব্রহ্মচর্যে দীক্ষিত হওয়ার বাসনা নিয়ে এলেও সহজে কাউকে দীক্ষা দেওয়া হয় না। সবার প্রথমে তাকে আখড়া এবং সনাতন ধর্মের ঐতিহ্যগুলি বুঝতে হবে। যখন আখড়ার পঞ্চরা মনে করেন যে তিনি ব্রহ্মচারী হওয়ার জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠেছেন তখনই তাকে দীক্ষা দেওয়া হয়।অন্যদিকে, প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভের চতুর্থ দিনেও পুণ্যস্নান করেছেন বিপুল সংখ্যক ভক্ত।
বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকেই গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর মিলনস্থল ত্রিবেণী সঙ্গমে অমৃতস্নান করেছেন ভক্তরা। এখনও পর্যন্ত ৬ কোটিরও বেশি ভক্ত ত্রিবেণী সঙ্গমে অমৃতস্নান করেছেন। দেশ-বিদেশের ভক্তদের পাশাপাশি সাধু-সন্তরাও পুণ্যস্নান করেছেন।






