
দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেতা মহেশ বাবু রিয়েল এস্টেট সংস্থার হয়ে প্রচারের কারণে আবার আইনি ঝামেলায় পড়েছেন।অতীতেও তিনি একই সমস্যায় জড়িয়েছিলেন। বলা হয়েছে, তেলেঙ্গানার রঙ্গা রেড্ডি জেলা উপভোক্তা কমিশন এই টলিউড অভিনেতার নামে নোটিশ জারি করেছে এই রিয়েল এস্টেট সংস্থার হয়ে প্রচার করার জন্য।
রিপোর্টে বলা হয়েছে,হায়দরাবাদের এক চিকিৎসক অভিযোগ করেছেন,যে প্লটের অস্তিত্ব নেই এমন প্লটের জন্য ৩৪.৮ লক্ষ টাকা দেওয়ার পরে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।সাই সূর্য ডেভেলপার্স সংস্থার প্রচার এবং ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে তৃতীয় উত্তরদাতা হিসেবে মহেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।অভিনেতা এবং তার দল এখনো এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। রিপোর্ট অনুসারে,চলতি বছরের এপ্রিলে সাই সূর্য ডেভেলপার্স ও সুরানা গ্রুপের আর্থিক তছরুপের মামলায় মহেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট,ইডি। খবর, সাই সূর্য ডেভেলপার্সের মালিক কাঁচারলা সতীশ চন্দ্র গুপ্তার বিরুদ্ধে গ্রিন মিডোস নামে একটি প্রকল্পের ডেলিভারি গাফিলতির অভিযোগে পুলিশি তদন্তের মুখে পড়েছিলেন।মহেশ বাবু এই প্রকল্পের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন এবং চেক এবং নগদের মাধ্যমে তাঁকে এর জন্য ৫.৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছিল যে, অভিনেতাকে অভিযুক্ত হিসাবে তদন্ত করা হচ্ছে না এবং তিনি এই কেলেঙ্কারিতে জড়িত নাও থাকতে পারেন।তাঁরা জানিয়েছিলেন যে, তিনি‘অভিযুক্ত জালিয়াতির বিষয়ে না জেনেই অভিযুক্ত সংস্থাগুলোর রিয়েলটি প্রকল্পগুলোকে সমর্থন করে থাকতে পারেন।মহেশকে শেষ পর্দায় দেখা গেছে ত্রিবিক্রম শ্রীনিবাসের গুন্টুর কারাম সিনেমায়।
২০২৩ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি।যেখানে প্রকাশ রাজ, রাম্যা কৃষ্ণন এবং শ্রীলীলা অভিনয় করেছিলেন।অভিনেতা এখন এস এস রাজামৌলীর অ্যাডভেঞ্চার ফিল্ম এসএসএমবি ২৯ প্রজেক্টে অভিনয় করছেন। সিনেমাটির নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি।এতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং পৃথ্বীরাজ সুকুমারনও অভিনয় করেছেন।








