
দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে চলতি সপ্তাহে বিবাহবিচ্ছেদের খবরে সিলমোহর দেন মাহি ভিজ ও জয় ভানুশালি। বিচ্ছেদের পর এবার খোরপোশের অঙ্ক নিয়েও নেটপাড়ায় চলছে নানা জলঘোলা। এবার তা নিয়েই মুখ খুলেছেন মাহি।
ইউটিউবে প্রথম ভ্লগেই এই নিয়ে সপাটে উত্তর দিয়েছেন মাহি। মাহি বলেছেন, তিনি এবং জয় বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন। তাঁদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে অনেকেই বলছেন তিনি নাকি পাঁচ কোটি টাকা খোরপোশ হিসেবে নিয়েছেন। এমনকী বিভিন্ন পুরনো ভিডিও টেনে বের করে আনা হচ্ছে। এগুলো খুব খারাপ বিষয়। অর্ধেক বুদ্ধি নিয়ে কোনও স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে মন্তব্য করবেন না। এগুলো তাঁদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবার ও সন্তানদের উপরও প্রভাব ফেলে। কেউ বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে চায় না। অনেককেই দেখছেন বলতে যে, তাঁদের পেশায় যারা রয়েছেন তাঁদের কাছে বিচ্ছেদ জলভাত। তাঁদেরই শুধু নয় এই ঘটনা বহু সাধারণের সঙ্গে হচ্ছে। কিন্তু তাঁদেরটা সামনে আসে না।মাহি আরও বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত তাঁরা যৌথভাবে, আলোচনার মাধ্যমে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বিচ্ছেদের পরেও তাঁরা ভালো বন্ধু হয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাঁরা এই নিয়ে কোনও জটিলতা, ঝগড়া, অশান্তি চাননি। আলোচনার মাধ্যমেই দু’জনে স্থির করেছেন যে তাঁদের রাস্তা আলাদা করে নেবেন। আর সেটা করাই তাঁদের জন্য ঠিক হবে বলে তাঁদের মনে হয়েছিল। কিন্তু তিনি সোশাল মিডিয়ায় এমন কিছু কমেন্ট দেখলেন যা নিয়ে মুখ খুলতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই জিজ্ঞেস করেছেন তাঁরা কেন বাচ্চাদের দত্তক নিয়েছেন, কেন তাঁদের বাচ্চার জন্ম দিয়েছেন? এসবের কী দরকার ছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে একটাই কথা বলবেন, তাঁর বা জয়ের অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে সে সম্পর্কে অবগত। তাঁদের ক্ষমতা ঠিক কতটা তাঁরা জানেন। তাই তাঁদের নিয়ে এই নোংরা আলচনা বন্ধ করুন। বলে রাখা ভালো ২০১১ সালের নভেম্বরে চার হাত এক হয়েছিল জয় ও মাহির। চোদ্দো বছরের দাম্পত্যজীবনে তাঁদের রয়েছে তিন সন্তান।
যুগলের সোশাল মিডিয়ায় চোখ রাখলে তাঁদের ভালবাসায় মাখামাখি ছবিই দেখতে অভ্যস্ত ছিলেন তাঁদের ফ্যান ফলোয়াররা। হঠাৎই সেসবে ছেদ পড়ে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই জয়-মাহির ডিভোর্স তরজা চলছে। অবশেষে সেই জল্পনায় সিলমোহর দিলেন দম্পতি।









