
তৃণমূলের লোকেরাই তৃণমূলের নেতাকে খুন করেছে। মালদায় তৃণমূল কাউন্সিলর দুলাল সরকার খুনের ঘটনায় এমনই মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি।
তিনি বলেছেন, জমির দালালি থেকে শুরু করে রাজ্যের সর্বক্ষেত্রে কাটমানি খাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে, যার ফলশ্রুতি হচ্ছে মালদার খুন। অধীরের আরও মন্তব্য, সাধারণ মানুষ সবটা জানে, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে না, কারণ দোষীরা সকলেই শাসকদলের দল। এদিকে, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার হয়েছে তৃণমূলের একবারে প্রথম দিকের নেতা দুলাল সরকার ওরফে বাবলা। উঁনি মালদা পুরসভার চেয়ারম্যান হতে চলেছিলেন, তারজন্য কারোর পথে কাঁটা হয়ে উঠেছিলেন। সেই জন্য তাঁকে খুন হতে হয়েছে বলে নিহত-র স্ত্রী দাবি করছেন, যা খুবই উদ্বেগজনক বলেও দাবি করেছেন সুজন চক্রবর্তী।
তাঁর আরও মন্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্য দায়ী, কারণ উঁনি যেভাবে দল পরিচালন করছেন তাতে এই ধরণের ঘটনা আগামীতে আরও ঘটবে।







