
এসআইআর শুনানিতে হয়রানির অভিযোগ নিয়ে আবারও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩ পাতার চিঠির শেষে তিনি লিখেছেন জানি উত্তর দেবেন না, কিন্তু সব তথ্য তুলে ধরা তাঁর কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।
৫ জানুয়ারির পর শনিবার জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও সাম্প্রতিক আচরণে রাজনৈতিক পক্ষপাত ও স্বেচ্ছাচারিতার ছাপ স্পষ্ট হয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের উদ্দেশ্যে যেখানে সংশোধন ও অন্তর্ভুক্তি হওয়া উচিত, সেখানে তা ক্রমশ বাদ দেওয়া এবং বঞ্চনার দিকে যাচ্ছে। এই প্রবণতা নজিরবিহীন এবং দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর মূলেই আঘাত হানার সামিল। তিনি আরও বলেছেন এসআইআর শুনানিতে যেভাবে মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে তাতে তিনি স্তম্ভিত। মখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন এসআইআর শুনানির সময়কালে এখনও পর্যন্ত ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, ৪ জন আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন, ১৭ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে একটা অপরিকল্পিত উপায়ে এসআইআরকে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, অভিনেতা দেব-র এসআইআর নোটিস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদকেও ছাড়া হচ্ছে না।
যিনি দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। এব্যাপারে কমিশনের আরও সংবেদনশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ শুধু মাত্র বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হয়ে পদবী পরিবর্তন এবং বাসস্থানের পরিবর্তনের জন্য মহিলাদের হয়রানি হতে হচ্ছে। তাঁর কথায় লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির নামে মানুষকে হয়রানি হতে হচ্ছে। আদতে এটা সম্পূর্ণ ইললজিক্যাল। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির পরেই মন্ত্রী শশী পাঁজার নেতৃত্বে তৃণমূলের ৫ প্রতিনিধি সিইও দফতরে গিয়েছেন।








