
দুপুরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিকেলে কালীঘাটের বাড়ি থেকে হেঁটেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খোঁজ নিয়েছেন তাঁর শরীরের। শনিবার সোনারপুরে হেনস্থার পর দুটো হাসপাতাল ঘুরেও ভর্তি হতে পারেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চোট গুরুতর না থাকায় অ্যাপোলো, বেলভিউ হাসপাতাল ভর্তি নেয়নি। শেষপর্যন্ত রাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বাড়ি ফেরেন তিনি। আপাতত বাড়িতেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।চণ্ডীতলায় আহত তৃণমূল সাংসদ তথা লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। সাংসদের মাথায় লেগেছে বলে অভিযোগ।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করে পোস্ট করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন আগের দিন লোকসভায় দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবার লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের ওপর বিজেপি হামলা করেছে। আক্রমণ করে তিনি বলছেন বিজেপি গণতন্ত্রণকে খুন করেছে। পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী কন্ঠরোধ, বিজেপির হিংস্র রাজনীতি, রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা, হিংসার এক চরম রূপ দেখেছে দেশবাসী। একের পর বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের টার্গেট করে এই ধরণের আক্রমণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অগণতান্ত্রিক, অমানবিক।
যা সরাসরি গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ। প্রশ্ন তুলেছেন এরাজ্যে জনপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা কোথায়। দেশের সংসদের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি ও প্রবীণ আইনপ্রণেতারাও যদি সুরক্ষিত না থাকেন তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়।








