
২১ জুলাই বাংলার ইতিহাসে এক রক্তঝরা দিন। অত্যাচারী সিপিআইএম-র নির্দেশে সেদিন প্রাণ হারিয়েছিল তরতাজা ১৩টি প্রাণ। ২১শে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে, একটা আবেগ। ২১শে জুলাই আজ বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অন্তরঙ্গ অংশ। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এমটাই লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্য বছরের তুলনায় এ বছর তৃণমূল কংগ্রেসের একুশে জুলাই শহিদ সমাবেশে বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে। তাই শহরজুড়ে অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হবে। সভামঞ্চের প্রস্তুতি পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা জানিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। তিনি বলেছেন, এবছর ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট, পার্কিং ম্যানেজমেন্ট, ক্রাউড কন্ট্রোল ও ভিআইপি সিকিউরিটি প্ল্যান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনও আপদকালীন ব্যবস্থা রুখতে প্রশাসন তৈরি। অন্যদিকে, দমকল দফতরের ডিরেক্টর অভিজিৎ পাণ্ডে বলেছেন, একুশে জুলাইয়ে ৬টি পয়েন্টে দমকলের ইঞ্জিন থাকবে। ৮টি পয়েন্টে দমকলের মোটরসাইকেল থাকবে। এছাড়া থাকবে মোবাইল কন্ট্রোল রুম ভ্যান। মঞ্চের পিছনে বিশেষ অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ব্যবস্থা থাকবে। শহিদ দিবস উপলক্ষে ট্রাফিক-সহ মোতায়েন থাকবেন প্রায় ৫ হাজার পুলিশকর্মী। ধর্মতলা সহ মধ্য কলকাতায় মোতায়েন থাকবেন ৮ জন যুগ্ম কমিশনার, ২৬ জন ডেপুটি কমিশনার ও ৮০ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক। একুশে জুলাইয়ের সভামঞ্চের আশপাশে ১৮টি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। এছাড়া থাকবে ৬টি কুইক রেসপন্স টিম। সভামঞ্চ সংলগ্ন চারটি ঘাটে মোতায়েন থাকবে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সাধারণ মানুষের সহায়তার জন্য শহরজুড়ে ৪৮টি বিশেষ বুথের ব্যবস্থা থাকবে। এর পাশাপাশি, একাধিক জায়গায় থাকবে পুলিশ পিকেট। সভামঞ্চের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে জন্য ধর্মতলা এলাকার প্রায় ২০টি উঁচু বহুতলের ছাদ থেকে নজরদারি চালাবে পুলিশ। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চের আশেপাশে ৪০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।








