
বল দখল, আক্রমণ, শট,এগিয়ে ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। কিন্তু ফুটবলে আসল পার্থক্য গড়ে দেয় ফিনিশিং।সেই জায়গাতেই দুর্দান্ত ছিল বায়ার লেভারকুসেন। দু’ অর্ধের দুই নিখুঁত গোলেই প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরল জার্মান দলটি।ইতিহাদ স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ২–০ গোলে হেরেছে সিটি।
প্রথমার্ধে আলেহান্দ্রেও গ্রিমালদো এবং দ্বিতীয়ার্ধে পাত্রিক শিকের গোলেই জয়ের স্বাদ পায় লেভারকুসেন।ব্যস্ত সূচির কথা মাথায় রেখে জানলুইজি দোন্নারুম্মা, আর্লিং হলান্ড, ফিল ফোডেন ও জেমেরি ডোকুকে বেঞ্চে রেখেছিলেন সিটি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা।দ্বিতীয়ার্ধে একে একে তারকা খেলোয়াড়রা নামলেও সিটির ভাগ্য ফেরেনি।প্রথমার্ধজুড়ে ধীরগতির ফুটবল খেলেছে পেপ গার্দিওলার সিটি। আক্রমণে ছিল না গতি বা ধার, এতে লেভারকুসেনের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। দ্বিতীয়ার্ধে গতি বাড়লেও উল্টোদিকে আরও নিখুঁত ছিল অতিথিরা।ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই প্রথম ভালো সুযোগ পায় সিটি।অস্কার ববের কাটব্যাকে বল পান নাথান আকে।শটও নেন তিনি, কিন্তু চমৎকার রিফ্লেক্সে কর্নারের বিনিময়ে দলকে রক্ষা করেন লেভারকুসেন গোলরক্ষক।২৩ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল করে এগিয়ে যায় লেভারকুসেন।মালিক টিলমানের ক্রসে ক্রিস্টিয়ান কোফানের ফ্লিক সিটির ডিফেন্ডাররা ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেননি। ছুটে গিয়ে বাঁ-পায়ের জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন গ্রিমালদো।প্রথমার্ধের শেষদিকে ফিরতি গোলের দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেন টিজানি রেইন্ডার্স। খুব কাছ থেকে নেওয়া তার শট চলে যায় গোলরক্ষকের দিকেই।
পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় সিটি।বিরতির পর তিনটি পরিবর্তন এনে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন গার্দিওলা। কিন্তু ৫৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে দেয় লেভারকুসেন। ইব্রাহিম মাজার সুইং করা ক্রসে আকেকে পেছনে ফেলে দারুণ হেডে গোল করেন শিক।৬৫ মিনিটে রায়ান চেরকি ও হালান্ডকে নামানোর পর বাড়তে থাকে সিটির আক্রমণ। ৮৫ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে শের্কির ফ্রি–কিকও ঝাঁপিয়ে ঠেকান লেভারকুসেন গোলরক্ষক।চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম হারের পর ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত ছ’ নম্বরে আছে ম্যানচেস্টার সিটি।








