
নাবালিকাকে মিষ্টি খাওয়ার প্রলোভন দিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণে দোষী প্রৌঢ়কে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। জলপাইগুড়ির বনবস্তির বাসিন্দা ওই নির্যাতিতাকে ৫ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্যের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। জানা গিয়েছে জলপাইগুড়ির বনবস্তি এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালিকার বাবার মৃত্যুর পর মাও ছেড়ে চলে যায়।
ঠাকুমার কাছেই কষ্ট করে মানুষ হচ্ছিল ক্লাস সেভেনের ছাত্রী। ফেব্রুয়ারি মাসে ঘটনার দিন বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়েছিল ওই ছাত্রী। অভিযুক্ত প্রৌঢ় তাকে মিষ্টি খাওয়ানোর নাম করে বন বস্তির একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এলাকার লোকজনের নজরে পড়ে যাওয়ায় অভিযুক্তকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর পকসো আইনে মামলা হয়। সেই মামলায় প্রৌঢ়কে ২০ বছরের সাজা দিয়েছে আদালত।
এদিকে মূক ও বধির নাবালিকাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ভ্যানচালককে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয়রা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলার ঘুটিয়ারি শরিফে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত ভ্যানচালক কওসার শেখকে।






