
আগের ২০ ম্যাচে যাদের জয় ছিল মাত্র একটি, গোল হজম করেছিল ৪৪টি, সেই সাউথ্যাম্পটনের দেয়াল ভাঙতে ঘাম ছুটে গেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। তবে অনেক কষ্টে হলেও শেষটা হলো তাদের দুর্দান্ত।
পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা সামলে আমাদ দিয়ালোর হ্যাটট্রিকে দারুণ জয়ের উচ্ছ্বাসে ভাসল হুবেন আমুরির দল।ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ৩-১ গোলে জিতেছে ইউনাইটেড। আত্মঘাতী গোলে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েছিল তারা। এরপর শেষ দিকে ১২ মিনিটে তিন গোল করে দলকে উচ্ছ্বাসে ভাসান দিয়ালো। এর আগে সেপ্টেম্বরে লিগে প্রথম দেখায় সাউথ্যাম্পটনের মাঠে ৩-০ গোলে জিতেছিল ইউনাইটেড।এবার হারের আশঙ্কায় পড়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানেই জিতল দলটি। ব্যর্থতায় ভরা সিজনে এবারের লিগে মাত্র সপ্তম জয় পেল ইউনাইটেড। লিগে টানা তিন হারের পর বছরে প্রথমবার মাঠে নেমে শক্তিশালী লিভারপুলের মাঠে গিয়ে ১-১ ড্র করে ইউনাইটেড। এরপর আর্সেনালের বিপক্ষে লড়াইয়ে কোণঠাসা থেকেও চমৎকার এক সাফল্য পায় তারা,এক জন কম নিয়ে অনেকটা সময় প্রতিপক্ষকে আটকে রেখে টাইব্রেকারে জিতে এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে ওঠে আমুরির দল।ওই জয়ে আত্মবিশ্বাসী ইউনাইটেড ২০ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার নিশ্চিত সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।রাসমুস হয়লুনের পাস বক্সে দারুণ পজিশনে পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন গার্নাচো। তার ওই মিস দেখে ডাগআউটে মাথায় হাত উঠে যায় আমুরির, হতাশায় পোস্টে লাথি মারেন হয়লুন। সাত মিনিট পর উল্টো এগিয়ে যেতে পারতো সাউথ্যাম্পটন,তবে আন্দ্রে ওনানা ডাবল সেভে তা হতে দেননি। তরুণ মিডফিল্ডার টাইলার ডিবলিংয়ে শট ঝাঁপিয়ে আটকানোর পর, ফিরতি বলে মাথেউস ফের্নান্দেসের শটও অসাধারণ ক্ষীপ্রতায় রুখে দেন ক্যামেরুনের গোলরক্ষক।
দুর্ভাগ্যবশত ৪৩ মিনিটে আর জাল অক্ষত রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। কর্নার থেকে উড়ে আসা বল গোলমুখে ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার মানুয়েল উগার্তের পিঠে লেগে জালে জড়ায়।









