
গত ২২ মাস ধরে জাতি হিংসায় অশান্ত রাজ্য মণিপুরে ফের নতন করে অশান্ত হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগস্থ মণিপুরের কাংপোকপি জেলা। দিকে দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে গুলির খোল। চারিদিকে পোড়া গন্ধষ রাস্তার ওপর চাপ চাপ রক্তের দাগ। কাংপোকপি জেলার বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন কুকি জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভকারীরা। জানা গিয়েছে, ওই সংঘর্ষে একজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ৪০ জন।
বিজেপির এন বীরেণ সিং পদত্যাগ করায় উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি রয়েছে। মণিপুরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রাজ্যপাল অজয়কমার ভাল্লা। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন, রাজ্যে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। সেই নির্দেশ মতোই ইম্ফল থেকে রাজ্যের অন্যান্য জেলার উদ্দেশ্যে বাস রওনাও দিয়েছিল। বাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। জানা গিয়েছে, কাঙ্গপোকপিগামী বাসের পথ আটকে দেয় মহিলা বিক্ষোভকারীর।
দীর্ঘ সময় ধরে অনুরোধের পরও রাস্তা খালি না করায় লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে নিরাপত্তাবাহিনী। সেই থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। শনিবার রাতেই কুকি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধের ডাক দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকেই কুকিদের ডাকা বনধে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জায়গায় জায়গায় মোতায়েন রয়েছেন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা।






