
২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা আবারও রাস্তায় নেমে এসেছেন। মঙ্গলবার শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত তারা একটি বিশাল মহামিছিল করেছেন, যেখানে ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের শূন্যপদে নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এই প্রতিবাদ কর্মসূচি শুধু চাকরি প্রার্থীদের নয়, বরং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সমর্থন পেয়েছে।
শিয়ালদহে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন জেলা থেকে এসে জড়ো হয়েছেন। তাঁরা স্লোগান দিয়ে এবং নাটকীয় উপস্থাপনার মাধ্যমে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে, শিল্পীদের মাধ্যমে মহিষাসুর বধ মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদ জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা তাদের আন্দোলনের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, টেট উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও নিয়োগের জন্য কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি এবং ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়নি।
সরকারের প্রতিশ্রুতির অভাব
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বারবার নিয়োগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কিছুই ঘটেনি। চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন যে, এভাবে আর চলতে পারে না; এবার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে। তাঁদের হুঁশিয়ারি স্পষ্ট—আরও সময় নিলে প্রতিবাদ আরও তীব্র হবে এবং বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নিতে পারে। এটি শুধুমাত্র একটি চাকরি পাওয়ার লড়াই নয়; এটি যুব সমাজের ভবিষ্যতের প্রশ্নও বটে。
সমাজ ও সরকারের প্রতি আহ্বান
এই আন্দোলন শুধু চাকরি প্রার্থীদের জন্য নয় বরং পুরো সমাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে—যেখানে যুবকদের স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষার মূল্য দিতে হবে সরকারকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তবে এর ফলাফল হতে পারে বিপজ্জনক এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে রাজ্যে। তাই সকলেই একত্রিত হয়ে এই দাবির পক্ষে দাঁড়িয়ে আসা উচিত যাতে সরকার তাদের দায়িত্ব পালন করে এবং যুবকদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে。



