
জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার পর উৎসব পালনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ভূস্বর্গ। এই উৎসব প্রায় এক দশক বাদে নিজেদের বিধায়ক বেছে নেওয়ার।
এই উৎসব নিজেদের সরকার নির্ধারণ করার। এখন প্রশ্ন আসন্ন বিধানসভা ভোটে কী বিজেপিকে রুখতে জোট বাঁধবে এনসি, পিডিপি-র মতো বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো? এবার কাশ্মীরে ভোট হবে ৩ দফায়। ভোটগ্রহণ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর। ফলাফল জানা যাবে ৪ অক্টোবর। এই নির্ঘণ্ট জানার পরই খুশির হাওয়া বইতে শুরু করে ভূস্বর্গে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করতে কতটা তৈরি দলগুলো? কয়েকদিন আগেই ন্যাশনাল কনফারেন্স সহ-সভাপতি তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেবেন না। যতদিন না পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা ফেরত পাচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর, ততদিন প্রতিবাদ স্বরূপ নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।ফলে বাধ্য হয়েই ফারুক আবদুল্লাকে ঘোষণা করতে হয় যে তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন।এতদিন কিছু না বললেও নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই তাঁর উপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছেন এনসি কর্মী-সমর্থকরা। ফলে বাধ্য হয়েই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হচ্ছেন ওমর। জানিয়েছেন, তিনি আমি এখনও নিজের সিদ্ধান্তে অনড়। কিন্তু দলের ভিতরে চাপ বাড়ছে। তিনি নির্বাচনে অংশ না নিলে তাঁর বাবাকে লড়তে হবে। তাঁর শরীটা ভালো নেই,তাই কর্মী-সমর্থকরা চাইছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা নির্বাচনে লড়েন। এদিকে ওমরের মতোই ৩৭০ ধারা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের আরেক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। পিডিপি সভানেত্রী সেই সিদ্ধান্তে অনড় থাকবেন, নাকি ওমরের মতো সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন, তা এখনও পরিস্কার নয়। তবে তাঁর দলের মুখপাত্র সুহেল বুখারি বলেছেন, মেহবুবা মুফতিকে বোঝানোর চেষ্টা চলছে। তবে মেহবুবা যদি নির্বাচনে অংশ নাও নেন, প্রার্থীদের হয়ে প্রচার তো করবেনই।




