
মেমারিতে বাবা-মাকে খুন করে এসে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁতে মাদ্রাসার মধ্যে ঢকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ুন কবীর সিদ্দিকির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ধুন্ধুমার কাণ্ড বনগাঁতে।
ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজন যার মধ্যে দু জন মাদ্রাসার শিক্ষক রয়েছেন। অভিযুক্ত হুমায়ুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৩৫ বছর বয়সী ওই যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে এলে, একদল উত্তেজিত জনতা থানায় চড়াও হন বলে অভিযোগ। তাঁরা থানা ভাঙচুরের চেষ্ট করে হুমায়ুনকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। থানার আসবার ভাঙচুর করা হয়েছে। মারধরে জখম হয়েছেন তিনজন পুলিশকর্মী। র্যাফ লাঠি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ওই ঘটনায় আরও ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার দীনেশ কুমার জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যা বেলাতেই ওই ছুরির হামলার খবর পায় বনগাঁ থানা। জখম চারজনকে বনগাঁ সুপার স্পেশালিটি হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে গোটা ঘটনার কথা জানিয়েছেন বনগাঁর পুলিশ সুপার। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও আশ্বস্ত করেছেন পুলিশ সুপার।







