
মেটা এআইয়ের সঙ্গে ইউজারদের চ্যাট ও ইন্টারঅ্যাকশন ব্যবহার করে এখন থেকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে বিজ্ঞাপন এবং কনটেন্ট সাজানো হবে। ১৬ ডিসেম্বর থেকে এটি চালু হবে বলে ঘোষণা করেছে মেটা।
উল্লেখ্য কোম্পানিটির মোট আয়ের প্রায় ৯৮ শতাংশই বিজ্ঞাপন থেকে আসে। তাই তাদের আয় বাড়াতে বিজ্ঞাপনকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা করছে বলে খবর।এর মানে, ইউজাররা যদি মেটা এআইয়ের সঙ্গে টেক্সট বা ভয়েসে কোনো বিষয়ে কথা বলেন, সেটির ওপর ভিত্তি করেই তাদের ফিডে পোস্ট, রিল, বিজ্ঞাপন বা গ্রুপের সাজেশন আসবে।উদাহরণ হিসেবে, কেও যদি হাইকিং নিয়ে মেটা এআইকে কিছু জিজ্ঞেস করেন তাহলে তার জন্য হাইকিং-সংক্রান্ত গ্রুপ, পোস্ট বা বিজ্ঞাপন দেখানো হতে পারে। এগুলোর সঙ্গে ইউজারের লাইক বা পেজ ফলোর মতো প্রচলিত তথ্যও অ্যাড হবে।মেটা বলছে, তাদের এআই অ্যাসিস্ট্যান্টের মাসিক ইউজার সংখ্যা একশ কোটির বেশি। এখন তারা চাইছে তাদের উন্নত জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি বিজ্ঞাপনের সঙ্গে আরও বেশি করে জুড়ে দিতে।এদিকে মেটা গুগলের সঙ্গেও আলোচনা করেছে যাতে তাদের জেমিনাই এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের বিজ্ঞাপন ব্যবসা আরও শক্তিশালী করা যায়।হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাটিং,এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড অর্থাৎ সেগুলো আলাদা সুরক্ষিত থাকে।
কিন্তু ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারের কথোপকথনে একই ধরনের নিরাপত্তা নেই।মেটা পরিষ্কার করে বলেছে, ইউজারদের ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি, যৌন পছন্দ, রাজনৈতিক মতামত, স্বাস্থ্য, জাতিগত পরিচয়, দর্শনভিত্তিক বিশ্বাস কোনোভাবেই বিজ্ঞাপন টার্গেট করার জন্য ব্যবহার করা হবে না।





