
ভবানীপুরকাণ্ডে শিশুর মৃত্যুতে নাম জড়ালো কলকাতা পুলিশের কর্মরত আর জি কর কাণ্ডে দোষী সঞ্জয় রায়ের ছোড়দি পূজার বিরুদ্ধে। আর জি কর কাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশে কর্মরত এই দিদির প্রভাবের জন্যই সঞ্জয় রায়ের গ্রেফতারি নিয়ে টালবাহানার অভিযোগ উঠেছিল।
বাড়ির আলমারি থেকে ক্লাস সিক্সের ছাত্রীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই বাবা ভোলা সিং এবং সৎমা পূজা রায়কে থানায় নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। বছর দশেক আগে শিশুটির মা ববিতা সিংয়ের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল। এবার আলমারির হ্যাঙ্গারে ঝুলছিল তার দেহ। আর জি কর মেডিক্যালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ, খুনের ঘটনায় এখন জেলবন্দি সঞ্জয়। তারই বড়দি ববিতা রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ভবানীপুরের বিদ্যাসাগর কলোনির বাসিন্দা ভোলার। তাদের মেয়ে সুরঞ্জনা। ক্লাস সিক্সের ছাত্রী ছিল। কয়েক বছর আগে তার মা ববিতা মারা যান। তখন ভোলা তাঁর শ্যালিকা সঞ্জয়ের ছোড়দি পূজাকে বিয়ে করেন। পূজা কলকাতা পুলিশের কর্মী এবং ভোলা একটি নিরাপত্তা সংস্থায় কাজ করেন। কাজের সূত্রে প্রায়শই বাইরে থাকেন। বুধবার দুপুরে প্রতিবেশীদের মারের মুখে পড়েও পূজা দাবি করেছেন তিনি মেয়েকে খুন করেননি।
সুরঞ্জনা আত্মহত্যা করেছে। রাতে বাড়ি ফিরে মেয়েকে দেখতে পাননি, পরে আলমারি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।







