
সংবিধানের অভিভাবক রাজনীতিকদের সঙ্গে মিশলে মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। আর জি কর-কাণ্ড তুলে প্রধান বিচারপতির বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী পুজো নিয়ে নিশানা করেছেন বিরোধীরা।
বুধবার রাতেই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বাসভবনে গণেশ পুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যোগ দেওয়ার ছবি প্রকাশ্যে আসে। এরপরেই শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, সংবিধানের প্রদীপের আলো থেকেই সংবিধানের ঘরে আগুন লেগেছ। ইভিএমকে ক্লিনচিট, মহারাষ্ট্রে সংবিধান বিরোধী একটি সরকারকে নিয়ে তিন বছর ধরে শুনানিই চলছে শুধু, পশ্চিমবঙ্গের ধর্ষণ মামলায় স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জামিন নিয়ে তারিখের পর তারিখ. এসব কেন হচ্ছে। ক্রোনোলজি বুঝে নিতে হবে। আরেক শিবসেনা সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদিও বলেছেন, উৎসব শেষ হলে প্রধান বিচারপতি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং মহারাষ্ট্র মামলার শুনানি করার সময় পাবেন, যেখানে সংবিধানের ১০ নম্বর ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে। নির্বাচন এগিয়ে আসছে, আরও একদিন ফেলে রাখা যেতে পারে মামলা।এরপরেই পাল্টা জবাবে বিজেপি-র জাতীয় সম্পাদক বিএল সন্তোষ বলেছেন, সভ্যতা, সৌহার্দ্য, একতা, সহাবস্থান বামপন্থী উদারমনস্কদের জন্য অশ্লীলতা। এটা কোনও সামাজিক অনুষ্ঠান নয়, গণপতি পুজোও হজম করতে কষ্ট হচ্ছে।
