
কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ৪৮ ঘণ্টা তিনি থাকবেন কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ রকে।
তাই বৃহস্পতিবার থেকে ওই এলাকায় পর্যটকদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৩ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এজেন্সি ইতিমধ্যেই ওই এলাকা পর্যবেক্ষণ করে এসেছেন। পুলিশ কর্মীদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরাও ওই দ্বীপ এলাকায় মোতায়েন থাকবেন। প্রস্তুত থাকছে নৌসেনাও।অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর ধ্যানমগ্ন হওয়ার ছবি যাতে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত না হয়, সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে সিপিএম এবং কংগ্রেস।তামিলনাডু সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক কে বালকৃষ্ণণ দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠিতে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে কোথাও ধ্যানে বসতেই পারেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ধ্যানমগ্ন হওয়া বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত করা হলে দেশে সপ্তম দফা ভোটের আগে তা নির্দিষ্ট একটি দলকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেবে। কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা, অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এবং সৈয়দ নাসির হুসেন কমিশনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া দিয়েছেন।উল্লেখ্য, সারা দেশ ঘুরে তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারীতে এসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। মূল ভূখণ্ড থেকে ৫০০ মিটার দূরে একটি শিলায় বসে তিন দিন ধ্যান করেছিলেন তিনি। সেখানেই বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর, আরব সাগরের মিলন হয়েছে। মনে করা হয়, সেখানেই আলোকপ্রাপ্ত হন স্বামী বিবেকানন্দ।








